ভারতের কিংবদন্তী রাজনীতিবিদ জ্যোতি বসু

জাফর আলম

ভারতের জননন্দিত ব্যক্তিত্ব ও রাজনীতিক জ্যোতি বসু আর বেঁচে নেই। গত রোববার তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বাংলাদেশেও তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয়। পশ্চিমবঙ্গের কমিউনিস্ট আন্দোলনে জ্যোতি বসু ছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্র। ১৯৭৭ সাল থেকে বামফ্রন্ট পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ ২৪ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। পরে স্বেচ্ছায় অবসর নেন। এরপর ২০০১ সাল থেকে সিপিআই (এম)-এর কোয়ালিশন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। কেন্দ্রে কংগ্রেস ও বি জে পি সরকার। অথচ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও কেরালায় কমিউনিস্ট সরকার ক্ষমতাসীন। পশ্চিমবঙ্গের কমিউনিস্ট সরকারের তথা জ্যোতি বসুর বড় সাফল্য সেখানে সাম্প্রদায়িক শক্তি ও মৌলবাদ কখনও মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারেনি। এজন্য জ্যোতি বসুকে ধন্যবাদ দিতে হয়। শুধু ভারতে নয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও জ্যোতি বসু সম্মানের পাত্র। তিনি দীর্ঘদিন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যে রেকর্ড করেছেন, তা সারা ভারতের রাজনীতিতে বিরল ঘটনা।

জ্যোতি বসু কোন জনপ্রিয় নেতার পুত্র ছিলেন না। তাঁর বাবা রাজনীতিকও ছিলেন না। শ্রী বসু একেবারে শূন্য থেকে রাজনীতি শুরু করেছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর ছিল কঠোর শ্রম ও সাধনা। তিল তিল করে তিনি অর্জন করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিষ্ঠা আর জনগণের ভালবাসা।

জ্যোতি বসুর জন্ম ১৯১৪ সালের ৮ই জুলাই কোলকাতার হ্যারিসন রোডে। বাবা ডাক্তার নিশিকান্ত বাবু। তার পৈতৃক বাড়ী বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার বারদিতে। বারদিতে অবস্থিত জ্যোতি বসুর পৈতৃক বাড়ী আশির দশকে মেরামত ও সংস্কার করা হয়। পৈকৃত বাড়ী দেখতে শ্রী বসু ১৯৮৭ সালে সস্ত্রীক ঢাকা সফর করেন। বারদিতে পৈতৃক বাড়ী দেখতে হাজার হাজার মানুষ তাঁকে প্রাণঢালা সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করে। এতে তিনি আবেগ আপ্লুত হন তাঁর স্মৃতিচারণে তা এখনও উল্লেখ করে থাকেন।

শ্রীবসু কোলকাতার লরোটো কিন্ডার গার্টেন এবং সেন্ট জেভিয়ার্সে লেখাপড়া করেছেন। ১৯৩০ তখন বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন তুঙ্গে। চট্টগ্রামে মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে অস্ত্রগার লুণ্ঠন তৎকালীন যুব সমাজে স্বাধীনতা সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল। জ্যোতি বসু এই ঘটনায় বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হন। সেন্ট জেভিয়ার্স-এর ফাদাররা চট্টগ্রামে অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের নিন্দা জানিয়ে লিফলেট বিতরণ করেন। জ্যোতি বসু এর প্রতিবাদ জানান। কোলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে অনার্স নিয়ে ভর্তি হন জ্যোতি বসু এবং ১৯৩৫ সালে অনার্স পাস করেন। ঐ বছরের শেষে লন্ডন যান ব্যারিস্টারি পড়তে।

ত্রিশের দশকের মাঝামাঝি যখন জ্যোতি বসু লন্ডন যান, তখন ইরোপের অবস্থা অগ্নিগর্ভ। ইটালী ও জার্মানীর ফ্যাসিবাদী চরিত্রের জন্য বৃটেন ছিল ভীত। বৃটেনের কিছু বুদ্ধিজীবী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন অধ্যাপক লাস্‌কি-র নেতৃত্বে। জ্যোতি বসু ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে প্রভাবান্বিত হন এবং বিভিন্ন বই অধ্যয়ন করেন। এর ফলে শ্রীবসুর চিন্তা-চেতনায় মৌলিক পরিবর্তন ঘটে। বৃটেনে ভারতীয় ছাত্র ফেডারেশন পুনর্গঠনে জ্যোতি বসু ও অন্যান্য কয়েকজন বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের মুখপাত্র ভারতীয় ছাত্র ও সমাজতন্ত্র প্রকাশিত হতে থাকে। এখানে কমিউনিস্ট গ্রুপে নেতৃস্থানীয় ছাত্র রজনী প্যাটেল, রেনু চক্রবর্তী, পি এন হাকসার, নিখিল চক্রবর্তী, ভূপেশ গুপ্ত, স্নেহাংশু আচার্য এবং ফিরোজ গান্ধী ফেডারেশনের বৈঠকে নিয়মিত যোগদান করতেন। এই সময় বামপন্থী ছাত্রদের নিয়ে লন্ডন মজলিশ নামে একটি সংগঠন গঠিত হয়। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন শ্রী জ্যোতি বসু। লন্ডন মজলিসের মাধ্যমে জ্যোতি বসু ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী পন্ডিত নেহেরু, সুভাষ বসু, বিজয় লক্ষী পন্ডিত প্রমুখের কাছাকাছি আসতে সক্ষম হন। ইন্ডিয়া লীগের শ্রীকৃষ্ণমেনন লন্ডনে পণ্ডিত নেহেরুর সাথে শ্রী বসুকে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি ছিলেন নেহেরুর ভক্ত। ১৯৪০ সালে শ্রী বসু দেশে ফিরে আসেন এবং সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে সি পি আই-এর কাজকর্মে জড়িয়ে পড়েন। পিতার ইচ্ছা ছিল, জ্যোতি বসু আইন ব্যবসা ও রাজনীতি একই সাথে করুক। কিন্তু তিনি রাজনীতির স্বার্থে পিতার ইচ্ছাকে অগ্রাধিকার দেননি।

রেল শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য জ্যোতি বসুকে দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৪৪ সালে গঠিত হয় সিপিআই প্রভাবিত বিএ রেলওয়ে ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন। পূর্ববঙ্গ, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ সর্বত্র ঘুরে নতুন ট্রেড ইউনিয়নে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল জ্যোতি বসুর কাজ। নতুন ট্রেড ইউনিয়নের সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় বঙ্কিম মুখার্জীকে আর জ্যোতি বসুকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয়। ১৯৪৪ সালে জ্যোতি বসু ঢাকায় অনুষ্ঠিত রেলওয়ে শ্রমিকদের এক সভায় যোগদান করেন।

১৯৪৬ সালে জ্যোতি বসু কংগ্রেসের হেভিওয়েট প্রার্থী ড. হুমায়ুন কবীরকে পরাজিত করে বিধান সভার সদস্য নির্বাচিত হন। স্বয়ং মৌলানা আবুল কালাম আজাদ ড. হুমায়ুন কবীরের পক্ষে ভোটের প্রচারে নেমেছিলেন। এতে জ্যোতি বসুর ইমেজ বৃদ্ধি পায়। এই বিজয়ের পেছনে পার্টির ভূমিকা ছাড়া তার ব্যক্তিগত কৃতিত্বও কম ছিল না। তিনি ভোটকেন্দ্রের অধিকাংশ এলাকায় সরাসরি ভোটারদের সাথে যোগাযোগ করেছেন। এই বিজয় তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক জীবনের একটি দিক-নির্দেশনা স্পষ্ট করে দেয়। পরবর্তীকালে বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে একজন অবিসংবাদিত বিরোধী নেতায় পরিণত হন। এরপর পশ্চিমবঙ্গের উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং সবশেষে মুখ্যমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। সর্বভারতীয় রাজনীতিতে জ্যোতি বসুর যে বর্তমান অবস্থান তার সূচনা হয় ১৯৪৬ সালেই। বিধানসভার সদস্য হিসেবে যে ভাতা পেতেন পার্টির নিয়ম অনুযায়ী পার্টি ফান্ডে জমা দিতে হত। বিনিময়ে পার্টি থেকে নিয়মিত মাসিক ভাতা দেয়া হত। জ্যোতি বসু বিধানসভার ভাতার টাকা পার্টি ফান্ডে জমা দিতেন আর পার্টির দেওয়া স্বল্প অর্থেই তাঁর ব্যয় নির্বাহ করতে হতো। আসলে বিধানসভার সদস্য হওয়ার পর থেকে তিনি পার্টির ভাতা প্রাপ্ত একজন সার্বক্ষণিক কর্মী হিসেবে নতুন জীবন শুরু করেন।

অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী। ১৯৪৬ সালের জুলাই মাসে বন্দী মুক্তি মুক্তি কমিটি বিধান সভায় অভিযান চালায়। বিরোধী নেতা হিসেবে জ্যোতি বসুর সাথে বিধান সভায় সোহরাওয়ার্দীর কথা কাটাকাটি হয়। পরে বাইরে এলে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে দোহার নির্দেশে। এরপর মুখ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী এসে জ্যোতি বসুকে ছাড়িয়ে নেন এবং জ্যোতি বসু ও অন্যদের দাবীতে পুলিশ কর্মকর্তা দোহা সোহরাওয়ার্দীর নির্দেশে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হন।

১৯৪৬ সালের ১৬ই আগস্ট দাঙ্গার পর ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ফেরাতে মিছিলের আয়োজন করেন শ্রী জ্যোতি বসু। বিধান সভায়ও তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ব্যাপারে জোরালো বক্তব্য রাখেন। আগস্ট দাঙ্গার বিরুদ্ধে শ্রীবসুর ভূমিকা সবিশেষ উল্লেখযোগ্য।

১৯৪৮ সালে কংগ্রেস সি পি আই-কে বেআইনী ঘোষণা করে। ১৯৪৯ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত জ্যোতি বসুকে আত্মগোপন করে থাকতে হয়। সে সময় তাঁর জীবন-যাপন ছিল কষ্টকর। অবশ্য ১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৫২ সালে অনুষ্ঠিত ভারতের সাধারণ নির্বাচনে সি পি আই অংশ নেয় এবং বিধান সভার ২৮টি এবং লোকসভার ৫টি আসনে বিজয়ী হয়। শ্রীবসু বরানগর থেকে মুখ্যমন্ত্রী ডা: বিধান রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য কংগ্রেস প্রার্থী হরেন্দ্র নাথ চৌধুরীকে পরাজিত করে বিধান সভার সদস্য নির্বাচত হন। ১৯৫৩ সালে জ্যোতিবসু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক এবং মাদুরাই-এ অনুষ্ঠিত সিপিআই-এর তৃতীয় কংগ্রেসে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এ দুটি সাফল্য উল্লেখযোগ্য। পশ্চিমবঙ্গের পার্টিকে সম্পাদক হিসেবে সংগঠিত করা এবং সফল বিরোধী নেতা হিসেবে শ্রী বসু জনগণের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা অর্জন করেন। প্রকৃতপক্ষে ১৯৫২-৫৬ পর্বে জ্যোতি বসুর দৃঢ় ও সংগ্রামী ভূমিকাই তাঁকে ভাবী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছিল।

ভূমি সংস্কার

ভাগচাষী ও বর্গাদারদের স্বার্থ রক্ষায় বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে বর্গা আইন পাস করে। সিলিং বহির্ভূত জমি উদ্ধার ও ভূমিহীনদের মধ্যে বন্টনের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ রেকর্ড সৃষ্টি করে। প্রায় দশ লাখ একর জমি ভূমিহীনদের বিতরণ করা হয়। এতে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছে সমাজের দরিদ্রতম মানুষ। বস্তুত কৃষিতে সাফল্যের মুলেও ছিল এই ভূমি সংস্কার। পশ্চিমবঙ্গ ভারতে খাদ্য উদ্বৃত্ত প্রদেশ। জ্যোতি বসুর ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এবং তৃণমূল পর্যায়ে কৃষকদের আস্থা অর্জনের ফলে বামফ্রন্ট সরকার পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘ ২৯ বছর ক্ষমতাসীন রয়েছে। তাছাড়া ত্রি-স্তরের পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সারা ভারতে সাফল্যের মডেল হিসেবে স্বীকৃত। মহিলাদের অংশ সক্রিয় অংশগ্রহণ পঞ্চায়েতের কাজকর্মে বিশেষ মাত্রা যোগ হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা

বাংলাদেশের সাথে ভারতের তথা পশ্চিমবঙ্গের মৈত্রীবন্ধন সুদৃঢ়করণে জ্যোতি বসুর ভূমিকা বিশেষ উল্লেখযোগ্য। বিশেষত: বাংলাদেশের সাথে ঐতিহাসিক গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির ব্যাপারে শ্রীবসুর ভূমিকা বাংলাদেশে ও ভারতের মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রধান বাধা ছিল গঙ্গার পানি বন্টন। শ্রীবসু এ ব্যাপারে কয়েক দফা নয়া দিল্লীও সফর করেন। গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তির ফলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পূর্ণ উন্নয়নে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করে। এই চুক্তি সস্পাদিত হয় ১৯৯৬ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী দেব গৌড়ার মধ্যে। ঢাকা-কোলকাতা বাস সার্ভিস চালুর ব্যাপারেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেন এবং ঢাকা-কোলকাতা বাস সার্ভিস চালুর সময় শ্রীবসু ঢাকা এসেছিলেন। তিন বিঘা হস্তান্তর চুক্তি সম্পাদনের ব্যাপারে শ্রীবসুর উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে।

১৯৯৬ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জ্যোতি বসুর নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু পার্টির পলিটব্যুরো সম্মতি না দেয়ায় তিনি এই প্রস্তাবে রাজী হননি। তাহলে জ্যোতি বসুই হতেন ভারতের প্রথম বাঙালি প্রধানমন্ত্রী। তিনি পার্টির নিয়ম কোনদিন ভাঙ্গেনি, তাঁর জীবনে এমন নজির নেই।

ব্যাক্তি জ্যোতি বসু

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জ্যোতি বসু সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করতে পছন্দ করতেন না, এমনকি তার সাফল্য নিয়েও। কেউ বলেন, তিনি দাম্ভিক আবার কখনও হাসতে জানেন না। আবার কারও মতে অমায়িক। আসলে তিনি কোনটাই নন। তিনি মনে করেন, তাঁর যা কিছু অর্জন এর পেছনে তাঁর অবদান গৌণ, অবদান তাঁর পার্টির। ব্যক্তিগত সাফল্য সম্পর্কে তিনি বলেছেন, বামফ্রন্ট আছে বলেই আমি আছি। একজন ব্যক্তির জন্য সরকার টিকে আছে তা আমি মনে করি না।

২০০৯ সালের ৮ জুলাই তিনি ৯৬ বছরে পা রেখেছেন। গত দুই সপ্তাহ যাবৎ তিনি জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কোলকাতার একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে গত রোববার দুপুরে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

[লেখক: বিশিষ্ট অনুবাদক, কলামিস্ট]

© 2009 The Anuranan

Advertisements
Published in: on জুলাই 7, 2013 at 6:41 অপরাহ্ন  মন্তব্য করুন  

The URI to TrackBack this entry is: https://jyotibasu.wordpress.com/2013/07/07/%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%80-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf/trackback/

RSS feed for comments on this post.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: