ওরা কেন আজ জ্যোতি বসুর প্রতি শিষ্ঠাচার দেখাতে পারে না

মানব মুখার্জি

গোটা রাজ্য শোকাচ্ছন্ন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত জানাচ্ছে নজিরহীন শ্রদ্ধা : পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তেও আলোড়ন, কে বলবে একটি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তিনি, যেন তিনি একজন রাষ্ট্রনায়ক। কমরেড জ্যোতি বসুর প্রয়াণের তখন ২৪ ঘণ্টা পার হয়নি — আনন্দবাজার, ১৮ই জানুয়ারি।

কেউ বিস্মিত, কেউ মর্মাহত, কেউ কেউ রেগে গেছেন। (নিশ্চয়ই কেউ কেউ আনন্দিতও হয়েছেন, কিন্তু আপাতত এই লেখার পরিসরে আমরা এই অংশটিকে অগ্রাহ্য করছি)। এই সবগুলোই আবেগ, এবং পৃথিবীর কোন আবেগই চিরস্থায়ী না, এই আবেগগুলোও চিরস্থায়ী হবে না, আমার একান্ত অনুরোধ গোটা বিষয়টি আবেগ বর্জিতভাবেই দেখা উচিত। এবং যুক্তি দিয়েই বোঝার চেষ্টা করা উচিত, কেন এরকম হয়।

জ্যোতিবাবুর মৃত্যুর স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হবে এটা আমার আপনার থেকে অনেক ভালো বোঝে আনন্দবাজার। এই স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে আঘাত করতে হবে, নস্যাৎ করতে হবে। পারলে ঘুরিয়ে দিতে হবে — এটা আনন্দবাজারের মালিক-সম্পাদকদের ঠাণ্ডা মাথার সিদ্ধান্ত। ফলত বাংলা, ইংরাজী এবং টিভি চ্যানেলের আনন্দবাজার গ্রুপের সবক’টি মুখপত্রেরই এক চেহারা, এক সুর। বাংলা মুখপত্রকে ধরা উদাহরণ হিসাবে। সংবাদপত্রের চতুর্থ পৃষ্ঠায় যারা লিখেছেন তাদের ওপর রাগ করে লাভ নেই। এই বাংলায় জীবিত বা প্রয়াত জ্যোতি বসুর ওপর সবচেয়ে বেশি রাগ কার কার। এই নিয়ে কোন তর্কের অবকাশ নেই — সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় এবং মমতা ব্যানার্জির। এঁরা দু’জন নিশ্চয়ই ‘আমাদের লেখা ছাপাও গো বলে আনন্দবাজারের কাছে এসে বায়না করেননি। ‘মরবার পরও যতটা পারো, লোকটাকে গাল দাও — এই সিদ্ধান্ত হলেই তো এরকম লেখক ঠিক করা হয়। আর একজন লেখক, তাকে অগ্রাহ্য করাই ভালো। মালিক বাড়ির পোষা অর্থনীতিবিদ, মালিক বলেছেন তাই জ্যোতিবাবুকে গাল দিয়ে লিখেছেন। কাল যদি মালিক বলেন, কুকুরের চুল পড়া সম্পর্কে একটা ভাবগম্ভীর লেখা লিখতে, তিনি তাই লিখে আনবেন — ওনাকে এবং ওনার লেখাকে অগ্রাহ্য করাই ভালো। এরপর একই সুরে কিন্তু সাধু ভাষায় লেখা সম্পাদকীয়, মালিকানা খোদ হাউসের। কিন্তু প্রথম পৃষ্ঠায় তো সংবাদের শিরোনাম এবং বিস্তারিত সংবাদ থাকবে। একজন মারা গেছেন, এই অপরাধে তো তাকে গালাগাল দিয়ে সংবাদ লেখা যায় না। বরং উলটো তাঁর মৃত্যুতে আবেগের বিস্ফোরণের ভাঙাচোরা সংবাদ লিখতে হয়েছে। যদি প্রথম পৃষ্ঠা দেখে অন্য কেউ কিছু ভাবে, তাই চতুর্থ পৃষ্ঠার নির্যাস বিশেষ বক্স করে (যেখানে বিশেষ আকর্ষণ জানানো হয়) প্রথম পৃষ্ঠার ছাপানো হয়েছে (এই কাঠামোয় আনন্দবাজার? স্মরণ হয় না কোনদিন দেখেছি কি না?)

এটা বাংলা বা বাঙালীর শিষ্টাচারের মধ্যে পরে কিনা? মৃত্যুর পরমুহূর্তেই অন্ধ কুৎসা — এই প্রশ্ন তুলেও লাভ নেই। বাংলা বা বাঙালীর কি করা উচিত — সেটা ওরাই সবচেয়ে ভালো বোঝেন। ওঁরা আমাদের হাইতিকে ‘হেইতি’ পড়ান, গাভাস্কারকে গাওসকার পড়ান। ওদের দেখান পথই বাংলা এবং বাঙালীর পথ — এরকমই  দাবি। ‘পোস্ট মর্ডান’ বাঙালীর এই সব ন্যাকা ন্যাকা শিষ্টাচার থাকা উচিত না। সমালোচনা‌য় আবার বা সময় জ্ঞান কি। মারা গেছেন বলে সমালোচনা তুলে রাখবো দু’দিনের জন্য। না।

তবে আমাদের জানার ইচ্ছা এই বোধটি কবে থেকে আনন্দবাজারের হলো? শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পরেরদিন আপনারা লিখেছিলেন— জরুরী অবস্থার কথা? রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পরদিন উল্লেখ ছিলো আনন্দবাজারের বোফর্স কামানের? যদি বলেন এই বোধটি নতুন হয়েছে, তাহলে বলি আমরা অপেক্ষায় রইলাম। জ্যোতিবাবু চলে গেলেন, সবাইকেই যেতে হবে একদিন। কিন্তু আনন্দবাজার থাকবে। দেখবো, অটলবিহারী বাজপেয়ীর সাথে গুজরাটের দাঙ্গার উল্লেখ কি ভাবে আসে। আর আপনাদের চতুর্থ পৃষ্ঠার লেখক সিদ্ধার্থশঙ্কার রায় এবং ’৭২-’৭৭-এর স্বর্ণযুগের সম্পর্ক পরের দিনের কাগজে কিভাবে প্রকাশ করেন — সেটাও জানার ইচ্ছে আগাম জানিয়ে রাখলাম। আসলে শিষ্টাচার-ঠিস্টাচার সব ফালতু কথা। সব কিছুর উর্ধ্বে রাজনৈতিক স্বার্থ, সব কিছুর ওপর শ্রেণীর তাগিদ।

এটা কেউ বলতেই পারেন, এই কাজ অন্য খবর কাগজও তো করেছে। করেছে আরও নির্লজ্জ আরও কুৎসিতভাবে। এই সব কাগজের সাথে আনন্দবাজারের গ্রুপের ফারাক অনেকটা। গ্যালারিতে বসে থাকা উৎসাহী উত্তেজিত দর্শকের সাথে মাঠে ঘাম ঝড়ানো খেলোয়ারের যা ফারাক এই কাগজগুলোর সাথে আনন্দবাজারের ফারাক ঠিক ততটাই।

জ্যোতিবাবু তার পার্টি, তাদের মতাদর্শের সাথে আনন্দবাজারের বিরোধটা মৌলিক। বাংলার বুকে দক্ষিণপন্থার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান আনন্দবাজার গ্রুপ। এরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগুলোর একনিষ্ঠ সমর্থক। এরা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অস্তিত্বের বিরোধী। গরিব মানুষের জন্য দেওয়া সরকারী ভরতুকিতে এদের তীব্র আপত্তি। এরা ভূমি সংস্কারকে মনে করে অপ্রয়োজনীয়। এমনকি গরিব কৃষক-মজুরের সন্তানের শিক্ষার প্রসার এদের কাছে উপহাসের বিষয় : শিক্ষার প্রশ্নে আপাদমস্তক এলিটিস্ট এরা। বামপন্থীদের বাদ দিলে এরকম সুসঙ্ঘবদ্ধ মতাদর্শগত অবস্থান এ রাজ্যে অন্য কোন রাজনৈতিক দলেরও নেই। এমনকি এরাজ্যের শিল্পায়ন নিয়েও যখন প্রায় সমর্থন করে লিখছেন এঁরা, দেখবেন তার ভিত্তিটিও সম্পূর্ণ আলাদা। এদের বক্তব্য, যাক অবশেষে পুঁজিবাদীদের লাল কার্পেট দিয়েছে বামফ্রন্ট। এমনকি এখানে নিজেদের আবিষ্কৃত ‘ব্র্যান্ড বুদ্ধ’ বনাম সি পি এম-এর একটা ক‍‌ল্পিত সঙ্ঘাত উল্লেখ করতে এরা ভুলত না। রাজ্যের শিল্পায়নের সাথে ভূমি সংস্কারের সজীব সম্পর্ককে দৃঢভাবে অস্বীকার করেছে এদের চতুর্থ পৃষ্ঠা। আজকে পশ্চিমবাংলার বুকে যে তীব্র রাজনৈতিক সঙ্ঘাত চলছে তা তো আসলে এই রাজ্যের বুক থেকে বামপন্থীদের শেষ করে দেবার মরিয়া চেষ্টা। যে দিন মার্কিনীদের সাথে বোঝাপড়ার ইস্যুতে বামপন্থীরা ইউ পি এ-র সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে সেদিন থেকেই দক্ষিণ বনাম বামের সঙ্ঘাত নতুন তীব্রতা পেয়েছে এই দেশের বুকে। গোটা পৃথিবীর দিকে তাকিয়েই মার্কিনীরা বোঝে ভারতবর্ষকে সঙ্গে রাখাটা তাদের পক্ষে প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে এই মুহূর্তে। আর এই প্রশ্নে একটা মাত্র কাঁটা ভারতবর্ষের বামপন্থীরা। বামপন্থীরা প্রভাবিত করতে পারে এরকম কোন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মার্কিনীদের কাছে সবচেয়ে আতঙ্কের কারণ। আজ এরকম সরকার নেই, কিন্তু গণতান্ত্রিক দেশে কালকেই আবার এরকম একটা সরকার আসতে পারে। এই সম্ভাবনা থেকে রেহাই পেতেই প্রয়োজন বামপন্থীদের স্থায়ীভাবে দুর্বল করে দেওয়া। এটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও বাস্তব ভারতবর্ষের বামপন্থীদের শক্তি ভীষণভাবেই নির্ভর করে পশ্চিমবাংলার ওপর। কাজেই দক্ষিণপন্থার সমস্ত আয়োজন পশ্চিমবাংলায় বামপন্থীদের নিঃশেষ করে দেওয়া।

যে মহাজোট তৈরি হয়েছে — নানা রঙের দল মিডিয়া -সাম্প্রদায়িক-বিচ্ছিন্নতাবাদী-এন জি ও-র — তার একটাই লক্ষ্য বামপন্থীদের উচ্ছেদ করো। এই মহাজোটের যারাই থাকুক মর্মবস্তু‍‌তে তা দক্ষিণপন্থী এবং পরিচালিত মার্কিনী নির্দেশে। মার্কিনীদের কাছে এ প্রশ্নে তৃণমূল কংগ্রেসের থেকেও আনন্দবাজার কম আদরণীয় নয়। বরং আনন্দবাজার অনেক বেশি পরিচিত। চিন্তাভাবনার দিক থেকে একান্ত এলোমেলো তৃণমূলের নেত্রীর তুলনায় আনন্দবাজারের বোধবুদ্ধি অনেক তীক্ষ্ণ। দিল্লিতে কংগ্রেসের সাথে তৃণমূলের বোঝাপড়া রাখতে তৃণমূল যতটা না সিরিয়াস, আনন্দবাজার তার থেকে অনেক বেশি। কাগজে গোটা দিল্লি ব্যুরোর একটাই কাজ, দুই দলের মধ্যেকার সম্পর্কে যাই হোক না কেন প্রমাণ করতে হবে ‘আসলে সব ঠিক আছে।’

সুশীল সমাজ থেকে পরিবর্তন-এর স্লোগান — যদি উৎস খুঁজতে চান তবে ঐ এক সম্পাদকের দপ্তরে গিয়ে হাজির হতে হবে। পরিবর্তন-এর স্লোগান দিয়ে লড়াইটাকে তারা একদম প্রত্যক্ষ করে দিয়েছে। ৩৩ বছরে যা হয়েছে, তা সবটা নস্যাৎ করতে হবে, পরিবর্তন করতে হবে।

আনন্দবাজার শিষ্ঠাচার দেখায় না, তা নয়। এমনকি জ্যোতি বসু সম্পর্কেও কখন শ্রদ্ধাসূচক কোন কথা আনন্দবাজার বলেনি তাও নয়। আসল সমস্যাটা হলো সময়, কোন সময়ে প্রশংসা করব। যে বোধ তাৎক্ষণিকভাবে তৃণমূল নেত্রীরও হয়নি। আনন্দবাজারের থিঙ্ক ট্যাঙ্কদের তা হয়েছে। গোটা দুনিয়া জ্যোতি বসুর প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত হলেও পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণপন্থীরা সেই স্রোতে ভেসে যেতে পারে না। ‘জ্যোতি বসু’ এই কথাটির মানে কি। তার সাত দশকের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় সৃষ্টি বামফ্রন্ট সরকার। বামফ্রন্ট সরকারের সম্পর্কে নীরব থেকে তো আর জ্যোতি বসুর প্রশংসা হয় না।

জ্যোতি বসু মানে ভূমিসংস্কার, জ্যোতি বসু মানে অপারেশন বর্গা, জ্যোতি বসু মানে রাজ্যের দাবি নিয়ে দিল্লির সাথে মাটি কামড়ে লড়াই। জ্যোতি বসু মানে গণশিক্ষার প্রসার। চাষী-মজুরের ঘরে লেখাপড়ার প্রবেশ। জ্যোতি বসু মানে পঞ্চায়েত। জ্যোতি বসু মানে রা‍জ্যে দাঙ্গা না হওয়া। জ্যোতি বসু মানে বিচ্ছিন্নতাবাদের মোকাবিলা। রাজ্যের শিল্পায়নও ১৯৯৪ সালে তাঁর আঁকা ব্লু প্রিন্ট অনুযায়ী।

যারা রাজ্যে ‘পরিবর্তন’ চায় — তারা এর মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে প্রশংসা করবে? যদি বিরল মুহূর্তে সত্য ভাষণে জ্যোতি বসুর প্রশংসা করে ফেলে, তাহলে তার মুখে পরিবর্তনের স্লোগান জোলো হয়ে যায় না? ২০১১-র এক বছর আগে পরিবর্তনের স্লোগান দেব আবার জ্যোতি বসুর প্রশংসা করব দু’টো একসাথে হয় না। যদি জ্যোতি বসু প্রশংসামূলক কাজ করে থাকেনই, তাহলে বামফ্রন্টের পরিবর্তন কেন? এ প্রশ্নের কি উত্তর দেবে?

দার্জিলিং -এর গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে মহাজোটে রাখলে আবার দার্জিলিঙ-এর স্বায়ত্ব শাসনের প্রশংসা করব হয় না। যে লোকটা চিরটাকাল বি জে পি-কে ‘অসভ্য, বর্বর’ দল বললেন তাকে প্রশংসা করব, আবার গোপনে মহাজোটে সঙ্ঘ পরিবারের সমর্থন নেব তা হয় না। ভূমি সংস্কারের প্রশংসা করব আবার নেত্রীর ‘মা-মাটি-মানুষ’ যাত্রাপালা দেখে হাততালি দেব দু’টো হয় না।

এই তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বোধ আর কারুর না থাক, আনন্দবাজারের আছে। আছে বলেই শিষ্ঠাচারের দোহাই দিয়ে জ্যোতি বসুর প্রশংসা করতে যায়নি। ১৯শে অক্টোবরের আনন্দবাজারে তাদের আসল শঙ্কা প্রকাশিত হয়েছে। জ্যোতি বসুর প্রতি রাজ্যের মানুষের আবেগের এই বিস্ফোরণ-একে কেন্দ্র করে বামপন্থীরা নতুন করে শক্তি অর্জন করবে। এ কাজে তারা কি করে সহযোগিতা করে? এতে দুঃখ পাওয়া, বিস্মিত হওয়া, মর্মাহত হওয়ার কোন মূল্য নেই। এ হলো তীব্র শ্রেণী সঙ্ঘাত। এতে এসবের কোন দাম নেই। যদি আপনি জ্যোতি বসুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন তাহলে তাঁর কাজকে কেউ যাতে পরিবর্তন-এর স্লোগান দিয়ে ধ্বংস করতে না পারে সেই লড়াইয়ে নামুন।

আপনাকেও বুঝতে হবে — এখানে যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে রাইফেল এবং টেলিভিশন ক্যামেরা দু’টোই অস্ত্র। বিশৃঙ্খলা আর চতুর্থ পৃষ্ঠার কাদার ভাণ্ড দু’টোই কার্যকরী হাতিয়ার। শত্রুর কাছে দুর্বলতার প্রত্যাশা করে যুদ্ধে নামা যায় না বলেই — জ্যোতি বসু সম্পর্কে আনন্দবাজার প্রাথমিক শিষ্ঠাচার দেখাবে এটাও প্রত্যাশা করবেন না। বলুন যুদ্ধে দেখা যাবে শেষ হাসি কে হাসে, ওঁরা না আমরা যাঁরা জ্যোতি বসুর বাহিনী তাঁরা। তিনি আছেন আমাদের হৃদয়ে, আমাদের চেতনায় এতটা উচ্চতাতেই যে ওদের কাদা অতদূর পৌঁছয় না — ঐ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না।

গণশক্তি, ৩১শে জানুয়ারি, ২০১০

Advertisements
Published in: on জুলাই 7, 2013 at 7:01 অপরাহ্ন  মন্তব্য করুন  

The URI to TrackBack this entry is: https://jyotibasu.wordpress.com/2013/07/07/%e0%a6%93%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9c-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/trackback/

RSS feed for comments on this post.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  পরিবর্তন )

w

Connecting to %s

%d bloggers like this: